১৩ দফা দাবিতে পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংক লরি মালিক শ্রমিকদের আল্টিমেটাম
তেল বিক্রির কমিশন সাত শতাংশ, রাস্তায় পুলিশ হয়রানি বন্ধ, পেট্রোল পাম্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ ১৩ দফা দাবিতে সরকারকে ১৩ মার্চ পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংকার লরি মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। অন্যথায় আগামী ১৪ মার্চ সকাল ৬টা থেকে বেলা ১২ পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশের ট্যাংক-লরি শ্রমিক ফেডারেশনের সব সদস্য কর্মবিরতি পালন করবেন।
গতকাল রাজধানীর হোটেল পূর্বাণীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এসব কথা বলেন।
সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেন বলেন, আগে সরকারের অন্যায্য সিদ্ধান্ত এবং বিভিন্ন খাতে লোকসানের কারণে ব্যবসায়ীদের ডিজেল থেকে কমিশন দুই দশমিক শূন্য ছয় শতাংশ এবং পেট্রোল ও অকটেন থেকে কমিশন এক দশমিক ৯৬ শতাংশে নেমে এসেছে। বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ওই হারে কমিশন নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব নয়।
এ সময় মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক নাজমুল হক জানান, গত এক বছরে ৯৬টি ফিলিং স্টেশনে ডাকাতি হয়েছে। তিনি পেট্রোল পাম্পের নগদ অর্থ এবং জানমালের নিরাপত্তা বিধানে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. নাজমুল হক, মহাসচিব মিজানুর রহমান রতন, বাংলাদেশ ট্যাংক-লরি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাহজাহান ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।