গ্যাস বিক্রির বকেয়া টাকা চেয়ে সরকারের বিরুদ্ধে
আন্তর্জাতিক আদালতে নাইকোর মামলা
ফেনী ফিল্ডের গ্যাস বিক্রির পাওনা টাকা চেয়ে আবারো আন্তর্জাতিক আদালতে কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকো মামলা করেছে বাংলাদেশ সরকার, পেট্রোবাংলা ও বাপেক্সের বিরুদ্ধে। ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটলমেন্ট অফ ইনভেস্টমেন্ট ডিসপ্যুট (আইসিএসআইডি বা ইকসিড) -এ দায়েরকৃত এই ‘আরবিট্রেশন’-এর নথিপত্র মঙ্গলবার পেট্রোবাংলায় এসে পৌঁছেছে। পেট্রোবাংলা নাইকোর এই মামলায় লড়ার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। মামলার ব্যাপারে শিগগিরই প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করবে পেট্রোবাংলা। এর আগে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকেও অবহিত করা হবে। সরকারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাওয়ার পর আইনজীবী নিয়োগ করে তার মাধ্যমে ইকসিড’য়ে প্রাথমিক আপত্তি পাঠানো হবে।
সূত্র জানায়, সুনামগঞ্জের টেংরাটিলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জয়েন্ট ভেঞ্চার এগ্রিমেন্ট (জেভিএ) এর আওতায় ৭৪৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে ঢাকার যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা করে পেট্রোবাংলা। এই মামলার আগে ২০০৪ সালের ২ নভেম্বর থেকে ওই ক্ষতিপূরণের সাথে সমন্বয় করতে ফেনী ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম বাবদ অর্থ প্রদান বন্ধ করে দেয়া হয়। যা’ এখনো বন্ধ রয়েছে। এরই মধ্যে উচ্চ আদালতে দায়েরকৃত একটি রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই ক্ষেত্রে গ্যাসের মূল্য প্রদান বন্ধ রাখার পক্ষে নির্দেশনা দেয়া হয়। ফেনী ক্ষেত্র পরিচালনা বাবদ প্রাপ্ত গ্যাসের অংশ পেট্রোবাংলার কাছে বিক্রি বাবদ নাইকো প্রায় ৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার পাওনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
নাইকো ওই ক্ষতিপূরণের বিষয়ে গত বছরের শেষ দিকে ইকসিড-এ আপত্তি জানায়। কানাডীয় কোম্পানি বাংলাদেশকে ওই ক্ষতিপূরণ প্রদান যোগ্য কি-না এবং ক্ষতিপূরণ দিতে হলে তার পরিমাণই বা কত হবে- সেসব বিষয়ে ইকসিড-এর নির্দেশনা চায়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ডঃ কামাল হোসেন গত ২১ জুন প্রাথমিক আপত্তি জানায়। এর আগে গত ১৬ জুন ফেনী ক্ষেত্রে প্রাপ্ত গ্যাসের মূল্য বাবদ পাওনা চেয়ে ইকসিড-এ সর্বশেষ মামলাটি করে নাইকো। কেন গ্যাসের মূল্য বাবদ ওই পাওনা পরিশোধ করা হবে না সে মর্মে ইকসিড-এর কাছ থেকে আদেশ চায় কোম্পানিটি। এক্ষেত্রে তারা গ্যাস পারচেজ অ্যান্ড সেলস্ এগ্রিমেন্ট (জিপিএসএ) এর প্রসঙ্গও তুলে ধরে। গত মঙ্গলবার মামলাটির নথিপত্র আসে পেট্রোবাংলায়।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, জিপিএসএ অনুযায়ী বাপেক্স ও নাইকোর মধ্যে চুক্তি হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশ ও পেট্রোবাংলা কোন পক্ষ নয়। এ সত্ত্বেও সর্বশেষ মামলায় বাংলাদেশ ও পেট্রোবাংলাকে বাপেক্সের সাথে পক্ষ করেছে নাইকো। এ কারণে আইনগতভাবে নাইকো দূর্বল অবস্থানে রয়েছে। এ বিষয় তুলে ধরে প্রাথমিকভাবে আপত্তি জানালে ইকসিড তাদের মামলাটি নিবন্ধন নাও করতে পারে।
উৎপাদন আশংকাজনক কমতে থাকায় এবং আইনী জটিলতায় বকেয়া পাওনা আটকে যাওয়ায় নাইকো ইতোপূর্বেই ফেনী ক্ষেত্রে উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। আইনগতভাবে নিস্পত্তি না হওয়ায় তাদেরকে গ্যাসের মূল্য বাবদ পাওনা পরিশোধও বন্ধ রয়েছে।
জ্বালানি ও আইন বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বিদেশী যে কোন কোম্পানি আন্তর্জাতিক আদালতে গেলে সেখানে সর্বাত্মকভাবে দেশের স্বার্থে লড়তে হবে। এ ক্ষেত্রে সিমিটার ও শেভরনের মামলায় জয়ী হয়ে ইতোমধ্যে পেট্রোবাংলা তাদের দক্ষতা প্রমাণ করতে পেরেছে। বিশেষ করে সম্প্রতি শেভরণের ‘আরবিট্রেশন’-এ জয়ী হওয়ায় বাংলাদেশ নাইকোসহ অন্যান্য অমিমাংসিত ইস্যুতে আন্তর্জাতিক শালিসে মোকাবিলার ক্ষেত্রে মনোবল ফিরে পেয়েছে। নাইকোর মামলাও এই মনোবলকে পেট্রোবাংলার কাজে লাগাতে পারবে বলে তারা মনে করছেন সরকারের নীতিনির্ধারক মহলসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও আইনজ্ঞরা।
Climate Change a Hot Story Here
Glenn Baker
October 7, 2009
Sponsored by the Pulitzer Center on Crisis Reporting
Climate change is front page news in Bangladesh on a...
'Immeasurable' losses feared as embankment rebuilding falls behind
24 Feb 2010 15:23:00 GMT
Written by: AlertNet correspondent
Makeshift huts sit on a heavily eroded...
BPC team to visit Malaysia,
Singapore for fuel deals
Staff Correspondent . Chittagong
A 4-member Bangladesh Petroleum Corporation team is scheduled to leave for Malaysia...
FE Report
Prime Minister Sheikh Hasina Thursday urged the business community to use solar power in their offices to reduce pressure on the national grid.
She said...
All set for Dhaka-Moscow nuclear agreement
BSS, Dhaka
The government will sign an agreement with Russia on May 21 next for bolstering cooperation for peaceful use of atomic...