২০১২ সালের আগেই প্রকল্প সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে
এলএনজি আমদানি দ্রুত করতে ভাসমান টার্মিনাল করার সিদ্ধান্ত
অরুণ কর্মকার | তারিখ: ২৪-০৭-২০১০
গ্যাস-সংকট মোকাবিলায় এলএনজি (লিকুইড ন্যাচারাল গ্যাস) আমদানির সরকারি উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য স্থায়ী টার্মিনালের পরিবর্তে ভাসমান টার্মিনাল (ফ্লোটিং রিসিভিং ফ্যাসিলিটি) বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগের প্রক্রিয়াও শেষ পর্যায়ে। সরকার ২০১২ সালের আগেই এলএনজি আমদানি শুরু করতে চায়। জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও পেট্রোবাংলার সূত্র এসব জানিয়েছে।
সূত্র জানায়, এলএনজি আমদানির জন্য স্থায়ী টার্মিনাল করতে ব্যয় বেশি, সময়ও লাগে প্রায় পাঁচ বছর। কিন্তু দেশে বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলে তীব্র গ্যাস-ঘাটতি পূরণে এখনই গ্যাস দরকার। তাই যত দ্রুত সম্ভব এলএনজি আমদানির উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য শীর্ষ নীতিনির্ধারক পর্যায় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী ভাসমান টার্মিনাল করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পেট্রোবাংলার সাবেক চেয়ারম্যান ও এলএনজি সেলের সমন্বয়কারী মোক্তাদীর আলী প্রথম আলোকে বলেন, ২০১২ সালের আগেই প্রকল্প সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগের জন্য যে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে ২৮টি প্রতিষ্ঠান আগ্রহ প্রকাশ (এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট) করেছে। এগুলোর মধ্যে ছয়টি প্রতিষ্ঠান বাছাই করে শিগগির বিশ্বব্যাংকের কাছে উপস্থাপন করা হবে। পরামর্শক নিয়োগ হলেই মূল প্রকল্পের ‘ডকুমেন্ট’ তৈরির কাজ শুরু হবে।
প্রসঙ্গত, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কারিগরি উন্নয়নে সহায়তার জন্য বিশ্বব্যাংক আগে অর্থ দিয়েছিল। সেই অর্থ অব্যবহূত রয়েছে। এখন এলএনজি প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগের ক্ষেত্রে ওই অর্থ ব্যবহার করা হবে। সে কারণে এ ব্যাপারে বিশ্বব্যাংকের অনুমোদন নিতে হচ্ছে।
সূত্র জানায়, এলএনজি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগের অংশ হিসেবে জ্বালানিসচিব মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল গত ১ থেকে ৪ জুন কাতার সফর করে। এ সময় কাতার সরকারের সঙ্গে এলএনজি আমদানির বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। বাংলাদেশের চাহিদা অনুযায়ী কাতার প্রতিদিন ৫০ কোটি ঘনফুট হিসাবে বছরে ৩৯ লাখ টন এলএনজি সরবরাহে রাজি হয়। এ প্রকল্পের বড় বিষয় ছিল দীর্ঘ মেয়াদে আমদানির জন্য এলএনজি পাওয়া।
এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি কক্সবাজারের মহেশখালীতে এলএনজি টার্মিনাল বসানোর স্থান থেকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা পর্যন্ত গ্যাস সঞ্চালনের জন্য স্থলভাগে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি পাইপলাইন বসানোর প্রাথমিক জরিপ শেষ করেছে পেট্রোবাংলার অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল)। তবে সমুদ্রের তলদেশে পাইপলাইন বসানোর ক্ষমতা জিটিসিএলের নেই। এ কাজের জন্য বিদেশি ঠিকাদার নিয়োগ করতে হবে।
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দরের কাছাকাছি কোথাও এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের মতো গভীরতা পাওয়া যায়নি। তাই মহেশখালীর কাছে টার্মিনাল স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই টার্মিনাল ও সমুদ্রের তলদেশে পাইপলাইন স্থাপন এবং আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা তৈরিতে প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় হতে পারে। এ কাজে সরকার বিদেশি বিনিয়োগ আনার চেষ্টা করছে।
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৫০ কোটি ঘনফুট এলএনজি রূপান্তর করে প্রায় ৩৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে। এ গ্যাস চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও শিল্প উৎপাদনে ব্যবহার করা হবে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে এখন গ্যাসের চাহিদা দৈনিক প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট। সরবরাহ করা যাচ্ছে এর অর্ধেকের মতো। ফলে সেখানকার বিদ্যুৎ ও শিল্পোৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
Climate Change a Hot Story Here
Glenn Baker
October 7, 2009
Sponsored by the Pulitzer Center on Crisis Reporting
Climate change is front page news in Bangladesh on a...
'Immeasurable' losses feared as embankment rebuilding falls behind
24 Feb 2010 15:23:00 GMT
Written by: AlertNet correspondent
Makeshift huts sit on a heavily eroded...
BPC team to visit Malaysia,
Singapore for fuel deals
Staff Correspondent . Chittagong
A 4-member Bangladesh Petroleum Corporation team is scheduled to leave for Malaysia...
FE Report
Prime Minister Sheikh Hasina Thursday urged the business community to use solar power in their offices to reduce pressure on the national grid.
She said...
All set for Dhaka-Moscow nuclear agreement
BSS, Dhaka
The government will sign an agreement with Russia on May 21 next for bolstering cooperation for peaceful use of atomic...